ভারত

বিদ্যুতের খরচ বিরাটভাবে কমবে গোটা ভারতবর্ষ জুড়ে

নিউজ ডেস্কঃ বিশ্ব জুড়ে আবহাওয়া পরিবর্তন এবং বিশ্ব উষ্ণয়ন কে প্রতিরোধ করতে বিশ্বকে ফসিল ফুয়েলের বদলে বিকল্প শক্তির উৎস সন্ধান করতেই হবে। ২০৫০ এর মধ্যে ভারতকেও ফসিল ফুয়েল পুরোপুরি বন্ধ করতে হবে, এমনই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে প্যারিস জলবায়ু চুক্তিতে। ফসিল ফুয়েলের বিকল্প হিসাবে যেসব গুরুত্বপূর্ণ শক্তির উৎস রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে সোলার এনার্জি বা সৌর বিদ্যুৎ। ইতিমধ্যেই ভারত সৌর বিদ্যুৎতের ব্যাবহারে রেকর্ড তৈরি করেছে পাশাপাশি এই শক্তি ব্যবহার করার ফলে বেশ সুবিধা হবে ভারতবর্ষের। কারণ এই শক্তি ব্যবহার করলে প্রচুর সুবিধা পাবে দেশ।

সোলার এনার্জির মাধ্যমে আত্মনির্ভর ভারত তৈরিতে ছয়টি বড় সুবিধা হবে।

 ১) কাজের সুযোগ বৃদ্ধি:– সোলার এনার্জি সেক্টরে দক্ষ, অর্ধ দক্ষ, অদক্ষ সব ধরনের মানুষের জন্য কাজ পাওয়া যায়। ২০১৮ সালে গ্রীন এনার্জি সেক্টরে ১১ মিলিয়ন কর্ম সংস্থান হয়েছে। 

 ২) গ্রাম অঞ্চলের উন্নতি:– গ্রাম অঞ্চলে সোলার এনার্জি সেটআপের মাধ্যমে অনেক কোম্পানি ইনফ্রাস্ট্রাকচারে উৎসাহিত হবে যার ফলে শহর এলাকার সাথে গ্রামের অর্থনৈতিক বৈষম্য কমবে। স্থানীয় মানুষদের রোজগার বাড়বে।

৩) বিদ্যুতের খরচ কমবে ও 

৪) তেল উৎপাদনকারী দেশ গুলোর উপর নির্ভরতা কমবে :– ভারত পৃথিবীর অন্যতম শক্তিশালী অর্থনীতির দেশ হয়েও এনার্জির জন্য বাইরের দেশের উপর নির্ভর করতে হয়। ২০১৩ সালে আমরা যা কয়লা আমদানি করতাম বর্তমানে প্রায় তার দেড় গুনের বেশী আমদানি করি। যদি তেলের হিসাব ধরা হয় তাহলে ভারত বছরে প্রায় ৮০-৯০ বিলিয়ন ডলারের তেল আমদানি করে। যদি ভবিষ্যতে কোন কারনে এনার্জি সাপ্লাই বন্ধ হয়ে যায় ব্যাপক অরাজকতা তৈরি হয়ে যাবে। তাই গ্রীন এনার্জি তৈরি করলে কোন দেশের উপর নির্ভর করতে হবে না। এরফলে অনেক খরচ বাচবে, যার জন্য বিদ্যুৎ খরচ কম হবে।

৫) ইনফ্রাস্ট্রাকচার নির্মানে সুবিধা:– একটি থার্মাল বা হাইড্রাল পাওয়ার প্ল্যান্ট নির্মানে ৩৬-৫৪ মাস সময় লাগে কিন্তু একটি ৫০০ মেগাওয়াটের সোলার এনার্জি সেন্টার তৈরিতে ১৮ মাস সময় লাগে। উপরন্তু সোলার পাওয়ার প্ল্যান্ট তৈরি থার্মাল বা হাইড্রাল পাওয়ার প্ল্যান্টের তুলনায় ১৪ শতাংশ কম খরচ হয়।

৬) পরিবেশ দূষণমুক্ত হবে এবং  জীবনযাত্রার মান বাড়বে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.